MOXIE : One step closer to MARS

#TECHBYTE1.0
#sociisticgadgets
Sociistic Gadgets

[size=6]আ[/size]পনাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় এই বছরে আপনার জন্য সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা কোনটি ছিলো? ফুটবলপ্রেমিরা বলবে resuming of Copa America, Euro 2021, অনেক বিতর্কের অবসান শেষে , সবকিছু আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা হয়তো বলবে বাংলাদেশের ঘরের মাঠে শ্রীলংকার সাথে সিরিজ জয়। বাকিরা হয়ত বলবে এই বছরটা মোটেও ভালো যায় নি। ২০২০ এর মতোই বোরিং, লাইফলেস।

কিন্তু সকল Astro-lovers দের জন্য, এটা অবশ্যই একটা স্মরণীয় বছর ছিলো, খুব সম্ভবত নাসার একটিমাত্র প্রজেক্টের কার-ণেই, which is nothing but the “MARS 2020” project.(Interesting fact is, এই মিশনেই প্রথম নাসা মঙ্গলে মানুষের নাম পাঠানোর ব্যাবস্থা করে এবং প্রায় ১১ মিলিয়ন{যার মধ্যে একটি আমার :face_with_hand_over_mouth:} মানুষের নাম তারা ইলেক্ট্রন বিম দিয়ে একটি চিপে লিখে[উল্লেখ্য, ডিজিটাল মিডিয়ায় সেভ করে নয় বরং সত্যিই লিখে,factcheck ] রোভারের সাথে সংযুক্ত করে) আমরা সবাই জানি, এই কয়েক মাস আগেই Perseverence Rover ১৮ ফেব্রুয়ারীতে মঙ্গলের জেজেরা ক্রেটারে অবত্রণ করে, যেটা নাসার ৫ম রোভার মিশন ছিলো, যে তালিকার প্রথমে ছিলো Sojourner, তারপর পর্যায়ক্রমে Spirit, Opportunity & last but not the least, Curiosity,যেটাকে Perseverence এর ভাই/sibling বলা হয়। কারণ দুইটি রোভারই মোটামুটি একই প্রযুক্তি ব্যাবহার করে তৈরি করা হয়েছে,তবে কিউরিওসিটির ওজন প্রায় ১২৬ কেজি কম ছিলো Perseverence অপেক্ষা. আমরা সবাই মোটামুটি Perseverence এর মঙ্গলে অবতরণের ভিডিওটি দেখেছি. আর না দেখে থাকলেও আপনারা এখানে দেখে নিতে পারেন। & just after this successful landing on Mars, it made some groundbreaking achievements.
গত বছর জুলাইয়ের ৩০ তারিখে ফ্লোরিডার স্পেস স্টেশন থেকে Atlas V Rocket এর মাধ্যমে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয় Perseverence। এই মিশনের মূল লক্ষ্য হিসেবে নাসা উল্লেখ করে, Seek signs of ancient life and collect samples of rock and regolith (broken rock and soil) for possible return to Earth. তবে এটার বাইরে এই মিশন যে আরও যথেষ্ট সাফল্য লাভ করেছে তা এখন নিঃসন্দেহে বলা-ই যায়। এই মিশন নিয়ে Guiness Book of World Record এর তালিকাটা-ও তাই বেশ লম্বা ঃ

  1. First Aerodynamic Flight on Another Planet
  2. Largest planetary exploration rover on mars
  3. The heaviest payload soft-landed on Mars
  4. First landing on MARS with the strongest supersonic parachute
  5. First flight on MARS
  6. Longest & Highest flight on MARS
  7. First Breathable Oxygen made on MARS
    & so on……
    [left][/left]

এখন আমরা কথা বলবো শুধুমাত্র শেষটি নিয়ে, যা আমরা শিরোনামে দেখতে পেয়েছি,First Breathable Oxygen made on MARS(MOXIE). ব্যক্তিগতভাবে আমি অনেক বেশি excited ছিলাম এই মিশনটি নিয়ে। অনেকের কাছেই এটা হয়ত তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে না-ও হতে পারে। কারণ কেউ কেউ হয়তো ভেবেছে অক্সিজেন আবার বানাবে কীভাবে? নিয়ে গিয়েছিলো হয়তো। আবার কেউ ভেবেছে এই ৫ গ্রাম অক্সিজেন আর এমন কি জিনিস?অদূর ভবিষ্যতে আমরা যদি কখনো মঙ্গলে পৌঁছাতে পারি, তাহলে হয়তো এটার trace-ও খুজে পাবো না।

কিন্তু সার্বিকভাবে “মঙ্গলের বুকে মানুষের প্রথম পদক্ষেপ” -এর জন্য এটা নিঃসন্দেহে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা আবিষ্কার ছিলো. ২১শে এপ্রিল, ২০২১, নাসা নিশ্চিত করে যে ২০শে এপ্রিল, Perseverence রোভার অবতরণের ৬০ তম sol(Martian day) দিবসে MOXIE এক্সপেরিমেন্টের সময় রোভারটি কার্যকরীভাবে ৫ গ্রাম বিশুদ্ধ, শ্বসন-উপযোগী অক্সিজেন উৎপন্ন করে, Michael Hacht , principal investigator of MOXIE এর মতে যেটা একজন নভোচারীর ১০ মিনিট শ্বাস নেয়ার জন্য যথেষ্ট। Interesting Fact is, এই পরীক্ষাটি আরও ৯ বার করা হবে। উল্লেখ্য, Perseverence রোভার এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন তা ১ Martian বছর( ৬৮৭ সৌরদিন) মঙ্গলের উপর চলাফেরা করতে পারে।

Why this experiment was so much significant for NASA?

এর পিছনে মাত্র ২ টি কারণ রয়েছেঃ
Fact 1 - Human Exploration : অদূর ভবিষ্যতে, আমরা যদি কখনো মঙ্গলে পৌছাই, তাহলে সেখানে শ্বাস নেওয়ার জন্য, অথবা ভিনগ্রহে জনবসতি স্থাপনের জন্য আমাদের অবশ্যই একটা টেকসই অক্সিজেনের উৎস দরকার। আমরা জানি, মঙ্গলের বায়ুমণ্ডলের ৯৬% কার্বন-ডাই-অক্সাইড , আর মাত্র ০.১৩% অক্সিজেন। যেটা মোটেই আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য পর্যাপ্ত না। এখানে, MOXIE একটি কার্যকরী বিকল্প হতে পারে , যেটা ঘন্টায় প্রায় ৫ গ্রাম অক্সিজেন বর্তমানে উৎপাদন করতে সক্ষম।

Fact 2 - Home sweet home : এই ফ্যাক্টের নামটা একটু হাস্যকর মনে হতে পারে। এটার নাম এমন হওয়ার পিছনে কারণটা খুব সোজা। একজন নভোচারী যখন পৃথিবী থেকে মঙ্গলে যাবে , সে অবশ্যই আবার ফিরে আসবে। কারণ সে তো কখনোই সেখানে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপনের জন্য যাচ্ছেনা। মঙ্গলে কোনো উদ্ভিদ বা খাদ্য উৎস নেই, তাই সেখানে জীবন ধারণ বর্তমানে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। এখন, ফিরে আসার জন্য সে পৃথিবী থেকে যত মেট্রিক টন জ্বালানী-ই নিয়ে যাক না কেন, সেটা দহন করে-ই আবার তাকে ফিরে আসতে হবে। আমরা নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বইয়েই এই দহন বিক্রিয়া পড়ে এসেছি।্সেটার জন্য যে অক্সিজেন দরকার সেটা আমরা পৃথিবীতে সহজে পেলেও মঙ্গলে তা পাবো না। এই সমস্যাটির সুন্দর একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন Michael Hacht,যার পরিচয়টা আমরা আগেই দিয়েছি,principal investigator of MOXIE । তিনি বলেছেন, “ Getting four astronauts off the Martian Surface on a future mission , would require approximately 7 metric tons of rocket fuel & almost 25 metric tons of oxygen. Hauling 25 metric tons of oxygen from EARTH to MARS would be an arduous task. Transporting a one-ton oxygen converter- a larger, more powerful descendant of MOXIE that could produce those 25 tons- would be far more economical & practical.
Screenshot 2021-06-19 at 21-06-45 MOXIE for Scientists

এখন প্রশ্ন আসতে পারে, what actually did happen there. কীভাবে মঙ্গলে অক্সিজেন বানানো হলো?

সেটা বোঝার জন্য আমাদের একটিমাত্র সহজ বিক্রিয়া বুঝতে হবে। তবে তার আগে জেনে নেই MOXIE কি?. MOXIE এর পূর্ণরূপ Mars OXygen In-Situ Resource Utilization Experiment. যেভাবে আপনারা ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, Perseverence এর ঠিক bottom left corner এ, একটি অটোনোমাস হেলিকপ্টার রয়েছে, যার নাম ‘Ingenuity’,যেটা মঙ্গলের ভূপৃষ্ঠে এখন পর্যন্ত সর্বমোট 3 বার টেক-অফ করেছে, প্রত্যেকবার তার পূর্ববর্তী বারের রেকর্ড কে ভেঙ্গে দিয়ে। ‘Ingenuity এর ঠিক বিপরীত পাশে রয়েছে একটি ছোট যন্ত্র যার নাম “MOXIE” , যেটাকে বিবিসি একটি পাউরুটির টোস্টারের সাথে তুলনা করেছে। “MOXIE” এর একটু ভিতরে গেলে দেখা যাবে, সেখানে মোট ৩ টি লেয়ার রয়েছে, যা আপনারা ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন। প্রথম লেয়ারটি একটি vacuum পাম্পের মতো কাজ করে । এটা মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল থেকে CO2 শোষণ করে, 1 atm চাপ প্রয়োগ করে এবং দ্বিতীয় লেয়ারে পাঠায়।
দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেয়ারটির নাম SOXE, যেটার পূর্ণরূপ Solid OXide Electrolyzer. MOXIE এর মূল বিক্রিয়াটি এই অংশে ঘটে। SOXE এর তাপমাত্রা ৮০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস (প্রায় ১৪৭০ ডিগ্রী ফারেনহাইট) । এই তাপমাত্রায় High Pressurized CO2 যখন আসে তখন কার্বন ও অক্সিজেনের মধ্যবর্তী বন্ড ভেঙ্গে যায়। আমরা জানি, CO2 atom একটি কার্বন পরমাণু ও দুইটি অক্সিজেন পরমাণু নিয়ে গঠিত। ৮০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় দুইটি CO2 পরমাণু থেকে একটি করে অক্সিজেন পরমাণু এসে আরেকটি নতুন যৌগ(O2) গঠন করে। এর ফলে দুইটি CO2 অণু থেকে নতুন দুইটি CO অণু এবং এক অণু O2 উৎপন্ন হয়। CO আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর(যদিও এটি vehicle fuel হিসেবে ব্যাবহার করা যায়, তবে MOXIE তে সেটি আলাদাভাবে store করার মতো প্রযুক্তি নেই), তাই সেটি মঙ্গলের বায়ুমন্ডলে উন্মুক্ত করে দেয় এবং অক্সিজেন গ্যাস কে বিশুদ্ধকরণের জন্য ৩য় এবং সর্বশেষ লেয়ারে পাঠায়। বিশুদ্ধকরণের পর সেটি সংরক্ষণ করে। এই ছিলো সমগ্র বিক্রিয়া । কিছুটা জটিল মনে হতে পারে, তবে এটিকে একটি টার্ম দিয়ে খুব সহজে ব্যাখ্যা করা যায়, যেটা আমরা নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বইয়ে পড়ে এসেছি এবং সেটা হলো “ উচ্চ চাপ ও উচ্চ তাপ”। তাহলে বিক্রিয়াটি এক লাইনে সহজে ব্যাখ্যা করা যায় এভাবে, মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল থেকে CO2 শোষণ করে সেটিকে উচ্চ চাপ ও উচ্চ তাপে ভেঙ্গে ২ টি যৌগে পরিণত করে, একটি কার্বন-মনো-অক্সাইড(CO), এবং অন্যটি অক্সিজেন(O2)।

শেষ করার আগে কিছু পজিটিভ ফ্যাক্ট দিয়ে শেষ করি,

চাঁদের মাটিতে নীল আর্মস্ট্রং এর পা রাখার পরেই হঠাৎ করে চাঁদের প্রতি মানুষের আকর্ষণ টা কমে যায়। তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন অথবা আমেরিকা, কোনো দেশকেই আর সেখানে নতুন কোনো মিশন শুরু করতে দেখা যায় নি। USSR vs US কোল্ড ওয়ারের একটা পরোক্ষ প্রভাব আমরা সেখানে দেখেছিলাম।সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৭১ এর নভেম্বরে প্রথম দেশ হিসেবে মঙ্গলে ল্যান্ডার পৌঁছাতে সক্ষম হয়। যদিও মিশনটি অসফল ছিলো এবং ল্যান্ডারটি মঙ্গলের উপর ক্র্যাশ-ল্যান্ডিং করে, তারপরেও প্রথম ল্যান্ডার হিসেবে মঙ্গলে পৌছানোর রেকর্ডটা কিন্তু এখনো তাদের দখলে। এর জবাবে নাসা একই বছর ৩০শে মে ‘Mariner 9’ মিশন লঞ্চ করে ,যা First spacecraft to orbit another planet এর রেকর্ড গড়ে ১৪ই নভেম্বর মঙ্গলের কক্ষপথে প্রবেশ করে এবং ২০শে আগস্ট ১৯৭৫ এ ‘Viking I’ মিশন লঞ্চ করে যা ২০শে জুলাই ১৯৭৬ এ First successful Mars lander হিসেবে মঙ্গলে অবতরণ করতে সক্ষম হয়। সবশেষে ৫ নভেম্বর ২০১৩ তে ভারতের ISRO তাদের প্রথম প্রজেক্ট Mangalyaan লঞ্চ করে এবং ২০১৪ সালের ২৪ শে সেপ্টেম্বর প্রথম এশিয়ান দেশ হিসেবে মঙ্গলের কক্ষপথে প্রবেশের গৌরব অর্জন করে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে ২০২১ তো চলে গেলো, What will happen next?

রাশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্তমানে যৌথভাবে “Rosalind Franklin” রোভার নিয়ে ExoMars 2022 প্রজেক্টে কাজ করছে. একই সাথে জাপান প্রথম এশিয়ান দেশ হিসেবে মঙ্গলে অবতরণের লক্ষ্যে Mars Trahertz Microsatelite মিশন লঞ্চ করতে যাচ্ছে ২০২২ এ এবং ভারতের ISRO ইতিমধ্যে Mangalyaan ২ এর কাজ শুরু করেছে, যেটার Estimated Launching Time 2024.
এবার আসি বাংলাদেশের কথায়। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আমাদের আসলে তেমন কোনো InterPlanet Project নেই সামনে। তবে একটা ভালো খবর হচ্ছে, অতি সম্প্রতি চলে গেলো Inter Planetary Aerial Systems Challenge 2021, সেই আয়োজনে ৮ম স্থান দখল করে বুয়েট, ৯ম স্থানে আছে খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, আর ১৬ তম স্থানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়।বুয়েটের টিম ইন্টারপ্ল্যানেটার এর বানানো ড্রোন্টির নাম ছিলো নির্ভীক, যেটা মঙ্গলের সাধারণ তাপমাত্রা( -৮০ থেকে -১০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট) এবং পাতলা বায়ুমণ্ডলে ১০ মিনিট উড়তে সক্ষম ।(এটা নিয়ে ইতিমধ্যে একটা আর্টিকেল লেখা হয়েছে এই ক্যাটেগরিতে, তাই আমি খুব বেশি ডিটেইলস বর্ণনা করলাম না) বাংলাদেশের মতো জায়গায় স্বল্প সুবিধা নিয়ে আমাদের তরুণরা যে প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যাবহার করছে, সেটাই বা কম কি?

“দামে Free ,কাজে ভালো Facts”

  1. ২০২০ মিশনে নিজের নাম পাঠাতে পারেননি? সমস্যা নেই, নাসা আপনার দুঃখ বোঝে। এজন্য পরবর্তী মিশনের জন্য তারা এখনি নাম সংগ্রহ শুরু করে দিয়েছে :wink: Tap here to register & get a FREE online boarding pass.
  2. পৃথিবীর শব্দ শুনতে শুনতে বিরক্ত লাগলে মঙ্গলের শান্ত নিবিড় পরিবেশের শব্দ (এমনকি আপনার কন্ঠ মঙ্গলে কেমন শোনাবে সেটিও!) শুনে আসতে পারেন এখানে
  3. রকেটের অভাবে মঙ্গলে যেতে পারছেন না? চিন্তা নেই , ঘরে বসে মঙ্গলের বর্তমান আবহাওয়ার রিপোর্ট দেখে আসুন, just with one tap!
  4. Perseverance Rover প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক ছবি পাঠাচ্ছে লাল গ্রহটির( ইতিমধ্যে ৯১ হাজারের অধিক) , প্রতিদিন দেখে আসতে পারেন সর্বশেষ ছবিগুলো এবং ভোট করতে পারেন নিজের পছন্দের ছবিকে, with another tap here!
  5. নাসার পরবর্তী চন্দ্রাভিযানের জন্য একটি Naming Contest চলছে তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে, যা চলবে ২৮ জুন পর্যন্ত। ৮টি নামের এই ইভেন্টে বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের নামটি। Tap here to participate in the latest voteout.

N.B. Each & every fact & number mentioned in this article belongs to reliable sources. All types of controversial statements have been IGNORED. Thank you.

[center]-------- x --------[/center]

39 Likes

Goodness, best one ever <3

3 Likes

Thanks…means a lot to me :heart:

2 Likes

Well written😊 Kakoli Furniture facts were awesome…XD

2 Likes

Tysm @Arnab_Howlader_Argho :smiling_face_with_three_hearts:

1 Like

11 million names WRITTEN?!:flushed:

2 Likes

Yeap :smiley: factcheck here

4 Likes

The voting contest is over !


Got it!:new_moon_with_face:

2 Likes

Nope, actually, the last vote out ended, but it’ll be continued till the 28th upcoming. Don’t worry, I’ll update whenever the next one starts. Stay tuned! :heart:

7 Likes

Next mars mission konta ?

Actually NASA didn’t officially announce about the next mission on Mars as “Mars 2020” is ongoing till now. They’re focusing now more on the “Artemis Program” on moon.

1 Like

Best best :heart_eyes::ok_hand:
Xoss
Lekha ta shei hoiche carry on​:+1::+1:

2 Likes

Update :
Voteout contest Semifinal 1- Delos vs Ace. Tap to vote.

11 Likes