Robo-plant : A new era of Bio-technology?

#TECHBYTE1.0
#sociisticgadgets
Sociistic Gadgets
[size=6]সা[/size]ল ২০৩০। মনে করুন, আপনি আপনার রুমে বসে টিভি দেখছেন। হঠাত আপনার মোবাইল ফোনে একটি মেসেজ এলো। মেসেজটা এরকম,
"Hi , this is an automated message from ‘PlantBot’. Your 3rd plant of the garden(Genus : Rosa, Family : Rosaceae, Sub-species : Rosoideae) is suffering from intense water scarcity.
Current humidity of soil : 13%
Plant Condition : Weak
Last Water Supplied : 3 days ago
Suggestion : Supply water immediately."

স্বাভাবিকভাবেই কোনো সায়েন্স ফিকশনের কাটাছেড়া অংশ মনে হতে পারে, কিন্তু আসলে তা নয়। সিংগাপুরের রোবোপ্ল্যান্ট এক্সপেরিমেন্ট ভবিষ্যতের এমন প্রযুক্তির দিকেই ইঙ্গিত করছে।

What Actually Robo-Plant Experiment is?

উদ্ভিদ চলাফেরা করতে না পারলেও এর যে প্রাণ রয়েছে, সেটা জগদীশ চন্দ্র বসু সেই ১৯০১ সালে প্রমাণ করে গিয়েছেন। আমরা সবাই জানি, উদ্ভিদ কথা বলতে পারে না। কিন্তু সিংগাপুরে একদল বিজ্ঞানী হয়তো পরোক্ষভাবে সেই ইতিহাস পাল্টে দিতে চলেছেন। তারা ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপ চারার সাথে ইলেক্ট্রোড যুক্ত করে রোবো-প্ল্যান্ট নামে এক নতুন ধরনের প্রযুক্তির উপর কাজ শুরু করেছেন, যার মূল লক্ষ্য সীমিত সুযোগ সুবিধা ব্যাবহার করে প্রতিকূল অবস্থায় ফলন বাড়ানো। এর মাধ্যমে মূলত তারা উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থা( যেমনঃ নির্দিষ্ট কোনো ভাইরাস , ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ, অত্যধিক তাপদাহ, পানিশুন্যতা ইত্যাদি)-য় উদ্ভিদ যেন স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে কৃষকের নিকট সঠিক তথ্য প্রেরণ করতে পারে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন, ফলন হার বাড়ানো যাবে, তেমনি আর্থিক সাশ্রয়-ও সম্ভব হবে।

How did the scientists use the technology?

এই এক্সপেরিমেন্টের জন্য ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপ (যার বৈজ্ঞানিক নাম Dionaea muscipula) উদ্ভিদ-কে নির্ধারণ করা হয়, যা একটি কারনিভোরাস( শ্বাপদ) উদ্ভিদ। এ ধরনের উদ্ভিদ সাধারণত আমেরিকার ইস্ট কোস্টের সাব-ট্রপিক্যাল(উপ-ক্রান্তীয়) অঞ্চলে পাওয়া যায়।‘ থারমোজেল’ (যা নিম্ন তাপমাত্রায় তরল এবং কক্ষ তাপমাত্রায় জেলে পরিণত হয়) এর মাধ্যমে উদ্ভিদে সংযুক্ত এই ইলেক্ট্রোড গুলো উদ্ভিদ হতে নির্গত দুর্বল তড়িৎ কম্পন মনিটর করতে এবং সেই অনুযায়ী তথ্য প্রেরণ করতে সক্ষম ।

Is this "THE FIRST TIME’ ?

আপনার যদি মনে হয় এধরনের এক্সপেরিমেন্ট এবছরই প্রথম করা হলো কি না, তাহলে উত্তরটি হচ্ছে “না”।
তাহলে কবে করা হয়েছিলো?
সেটা জানার জন্য আমাদের মাত্র ৫ বছর পেছনে যেতে হবে। ২০১৬ সালে আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির(এমআইটি) একদল ইঞ্জিনিয়ার সফল্ভাবে Spinach (পালং শাক) এর পাতার ভেতরে কার্বন ন্যানোটিউব প্রবেশ করাতে সক্ষম হন। প্রফেসর মাইকেল স্ট্রানোর নেতৃত্বাধীন এই এক্সপেরিমেন্টের ফলে উদ্ভিদটি মাটিতে বিস্ফোরক জাতীয় পদার্থের উপস্থিতিতে নিজে নিজেই তারবিহীনভাবে মেইল পাঠিয়ে সতর্ক করে দিতে পারতো।

What is the FUTURE of this technology?

এই প্রশ্নের উত্তরটা আশা করি আপনারা অনেকটা-ই আন্দাজ করতে পারছেন। যদিও সমগ্র এক্সপেরিমেন্টটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এখানে একটি সমস্যা হলো, সিংগাপুরের গবেষক দলটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে একটিমাত্র ট্যাপে স্লাইট্র্যাপের মুখ বন্ধ করতে পারলেও সেটি পুনরায় খোলার ক্ষেত্রে তারা এখনো নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। আশা করা যায়, খুব তাড়াতাড়ি তারা “Plant based robots” এর ধারণাটিকে পূর্ণতা দিতে পারবেন। এজন্য অদূর ভবিষ্যতে কৃষকরা মোবাইল অ্যাপ্সের মাধ্যমে ফসলের রোগ ও সারের প্রয়োজনীয়তা নির্ণয় করতে পারবেন এমন পরিকল্পনাও এখন হয়তো অতটা অমূলক নয়।

31 Likes

Informative . Keep it up!

1 Like

Keep Up The Great Work

1 Like

Onek valo likhecho vaiya :yellow_heart:

1 Like

Thanks, bro @Hubaha <3

Thank you @Known_As_Sa :blush:

Vai keep it up
Eto xoss kemne lekhos
Sikha amre

1 Like